Home / সেবামূলক কার্যক্রমের

সেবামূলক কার্যক্রমের

০১ ধর্ম বিষয়ক কার্যক্রম 

গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত

মুসলমানগণের ধর্মকর্মের মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হচ্ছে নামাজ হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে প্রতিদিন কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ আল্লাহভীরু নেকবান্দা হৃদয়েরটানে এখানে এসে নামাজ আদায় করেন  প্রশান্তি অনুভব করেন ধর্মপ্রাণ মানুষ আত্মিক প্রশান্তি লাভের পাশাপাশি ইহলৌকিক এবং পারলৌকিক কল্যাণ লাভের প্রত্যাশায়ইবাদত বন্দেগীতে মশগুল থাকেন অত্র মসজিদে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মুসল্লিগণের নামাজ  নামাজের প্রাসঙ্গিক সেবাঅযুপানিপরিস্কারপরিচ্ছন্নতাআলোবাতাসসার্বিক ব্যবস্থাপনাসহ সাধ্যের মধ্যে সর্বোত্তম সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে

গুরুত্বপূর্ণ দিবস

ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ দিবস হিসেবে প্রতি বছর পবিত্র মিলাদুন্নবী (সাঃ), পবিত্র সীরাতুন্নবী (সাঃ), পবিত্র শবেমেরাজপবিত্র শবেবরাতপবিত্র শবেক্বদরপবিত্র আশুরাসহবিভিন্ন সময়ে ওয়াজ মাহ্ফিলের  দ্বীনি আমলের শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হয়

বয়স্কদের পবিত্র কোরআন শিক্ষা

বয়স্ক দ্বীনদার অনেক মানুষ আছেন যারা সহ্হি শুদ্ধ করে কোরআন শরীফ পড়তে জানেন না ছোট বেলায় শিখলেও চর্চার অভাবে ভুলে গেছেন তাদের জন্য অত্র এস্টেটেসহ্হিশুদ্ধরূপে পবিত্র কোরআন শরীফ শিক্ষাপবিত্র নামাজ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়

মহিলাগণের দ্বীনি কার্যক্রম

পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের দ্বীনি এলেম শিক্ষার সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম সেই বিবেচনায় মহিলাগণকে সহিশুদ্ধভাবে দ্বীনি শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রতিইংরেজী মাসের প্রথম মঙ্গলবারমসজিদে মহিলাদের জন্য নির্ধারিত নামাজের স্থানেই মহিলাদের উদ্দেশ্যে ধর্মীয় বিষয়ে বয়ান পেশ করে সহ্হি শুদ্ধরূপে দ্বীন পালনেসহযোগিতা করা হয়

* স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য দ্বীনি শিক্ষা

যে সকল শিক্ষার্থী মাদ্রাসায় পড়াশুনা না করে কেবলমাত্র স্কুলে লেখাপড়া করছেতাদের ভবিষৎ কর্মজীবনে নামাজসহ প্রাসঙ্গিক দ্বীনদারীর বিষয় চিন্তা করে তাদের জন্যনুরানী পদ্ধতিতে কোরআন শরীফ শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে

পবিত্র রমজানের ব্যবস্থাপনা

পবিত্র রমজান মাসে সেহরী  ইফতারের সময়সূচী সর্বসাধারণের জন্য বিনামূল্যে বিতরণ করা হয় পবিত্র রমজান মাসে বিশেষ ব্যবস্থাপনার প্রেক্ষিতেহাজীগঞ্জে রমজানঅতিবাহিত হয় তূলনামূলকভাবে অত্যন্ত ভাবগম্ভীর  বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ ধর্মীয় পরিবেশে

রমজান মাসে রোজাদারগণের ইফতার  সেহরী খাওয়ার সুবিধার্থে স্মরণাতীত কাল থেকে সাইরেন বাজানোর ব্যবস্থা অব্যাহত রাখা হয়েছে

রমজানের শেষ দশকে প্রায় কয়েকশত এতেক্বাফকারীর সার্বিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্তকার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হয়

রমজান মাসে ইফতারের সময় আগত পথচারী  সর্বসাধারণের জন্য ইফতারের উন্মুক্ত ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা প্রদান করা হয়

প্রতি বছর বিভিন্ন ব্যক্তি  মসজিদে বিনামূল্যে পবিত্র কোরআন শরীফ বিতরণ করা হয়

পবিত্র কোরবানীর ফাজায়েল  মাসায়েলের উপর হ্যান্ডবিল বিতরণ করে শুদ্ধরূপেপবিত্র কোরবানীর কার্যসম্পাদনে অভিজ্ঞ করে তোলা হয়

মসজিদমাদ্রাসার গরিব স্টাফকর্মচারীদের মধ্যে কোরবানীর গোস্ত প্রদান করা হয়

জুময়াতুল বিদা

এক সময়ে পাক ভারত উপমহাদেশের মধ্যে হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ অনন্য বৃহত্তম জুমআতুল বিদা নামাজের জামাত উদযাপনের প্রতিষ্ঠান হিসেবে খ্যাত ছিলঐতিহ্যের সে ধারাবাহিকতায় পবিত্র রমজান মাসে রোজা রেখে দূরদূরান্ত থেকে অনেক কষ্ট করে লক্ষাধিক রোজাদার মুসল্লি জুমআর জামাতে সমবেত হন এতে অসংখ্যআলেমে দ্বীনঅলিবুজর্গহাজীসাহেবানদুস্থএতিমঅসহায় তথা সর্বস্তরের সম্মানিত রোজাদার আল্লাহ্ভীরু নবীপ্রেমিক মানুষ এবাদত বন্দেগী করেন দোয়া মুনাজাততসবিহতাহলিল আদায় করে মনের নেক মাকছুদ পূরণের আশায় দুহাত তুলে আল্লাহর কাছে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন সকল স্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তাজন প্রতিনিধিসহসর্বস্তরের মানুষএলাকার যুব সমাজসামাজিক রাজনৈতিক সংগঠন নামাজের ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে সর্বাতœ সহযোগিতা প্রদান করে থাকেন

দাফনকাফন

সাধারণত মুসলমানদের জীবনে শেষ ইচ্ছা থাকে মসজিদের পাশে শায়িত হওয়া সে লক্ষ্যে হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদের পাশে সর্বসাধারণের জন্য আহমাদ আলীপাটওয়ারী (রহ.) কবরস্থানের ব্যবস্থা রেখেছেন কোনো ব্যক্তির ইচ্ছার প্রেক্ষিতে কবরস্থ করার জন্য সাধ্যমত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এখানে অলিবুজুর্গ  আল্লাহ্ভীরুনেকবান্দাদের সাথে দুস্থগরিব  অসহায় মানুষও শায়িত আছেন মসজিদের ন্যায় কবর স্থানের জায়গা সম্প্রসারণ অতীব জরুরি

০২। শিক্ষা বিষয়ক কার্যক্রম

আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) দ্বীনদার মুসল্লি গড়ে তোলার পাশাপাশী দ্বীনি কার্যক্রমের স্বার্থে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাকালীন সময়েসম্পাদিত দলিলে তিনি উল্লেখ করেন যে ‘মুসল্লিগণ হলেন মসজিদের খোরাক এলেম ছাড় নামাজ রূহ ছাড়া শরীরের মত এলমে দ্বীন তথা কোরআনের শিক্ষা প্রদানের জন্যেধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা অতীব প্রয়োজন ‘সে চিন্তা চেতনার প্রেক্ষিতে তিনি দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা মাদ্রাসা গড়ে তোলেন – আলহামদুলিল্লাহ

আহমাদিয়া আলিয়া মাদ্রাসা :-

মরহুম আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) ১৯৩১ সনে দারুল উলূম আহমাদিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মাদ্রাসাটি র্শিক  বিদাতের বিরুদ্ধে জোরালোভূমিকা রাখে মাদ্রাসাটি ১৯৯৫ সালে বর্তমান মোতাওয়াল্লী মোআলমগীর কবির পাটওয়ারীর প্রত্যক্ষ সহয়োগিতায় কামিল পর্যায়ে উন্নীত হয় এবং এমপিওভূক্তি লাভকরে ১৯৯০ সাল থেকে দাখিল  আলিমশ্রেণীতে বিজ্ঞান বিভাগ চালু হয় ২০১৭ সাল হতে সম্পূর্ণ পৃথকভাবে বালিকা শাখা চালু করা হয় মাদ্রাসার একটি সমৃৃদ্ধকম্পিউটার ল্যাব রয়েছে বর্তমানে এখানে প্রায় ৩০০০ (তিন হাজারশিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে মাদ্রাসা শিক্ষার গুনগতমান  ফলাফলে জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরস্বীকৃতি লাভে সক্ষম হয়েছে এখানে ভবিষ্যতে অন্যান্য বিভাগ  শাখা খোলার পরিকল্পনা রয়েছে

আহমাদিয়া কাওমী মাদ্রাসা :-

আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) কর্তৃক ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ফোরকানীয়া মাদ্রাসা থেকে অত্র এস্টেটের বর্তমান মোতাওয়াল্লী মোআলমগীর কবির পাটওয়ারীরউদ্যোগ  নেতৃত্বে কাওমী নেসাবের দ্বীনি মাদ্রাসা হিসেবে জামিয়া আহমাদিয়া কাওমী মাদ্রাসা গত ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়  মাদ্রাসায় নূরানী বিভাগ থেকে দাওরায়েহাদিস পর্যন্ত প্রায় ১২০০ (বারশতশিক্ষার্থী শিক্ষা লাভ করছে অত্র মাদ্রাসার আওতাধীন পর্যায়ক্রমিক মাদ্রাসাসমূহ যথাক্রমে – মুনিরিয়া নুরানী মাদ্রাসাহাজী মনিরউদ্দীন(মনাই হাজী) (রহ.) হাফেজিয়া মাদ্রাসা  ইকরা বিভাগ নামে ভিন্নভিন্নভাবে কোরআন  হাদিসের শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে

উভয় দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতি বছর শতশত শিক্ষাথী দ্বীনের আলোয় আলোকিত হওয়ার সুযোগ লাভ করতে সক্ষম হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ

 কর্মসংস্থান বিষয়ক কার্যক্রম 

বিনিয়োগে উন্নয়ন ব্যক্তিসমাজদেশ এবং রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগের বিকল্প নেই বিনিয়োগকারীগণ সাধারণত বিশ্বস্ততার সাথে পুঁজি খাটিয়ে ব্যবসা করার জন্যউপযুক্ত স্থানসুযোগসুবিধা  পরিবেশের অভাববোধ করে থাকেন যার প্রেক্ষিতে নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ অনেক সময় নির্ভয়ে বিনিয়োগ করতে পারেন না সে বিবেচনায়ঐতিহ্যবাহী আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) ওয়াক্ফ এস্টেট তার দ্বীনি কার্যক্রমের পাশাপাশি দোকানঘর  মার্কেট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শত শত পরিবারের কোটি কোটি টাকানিরাপদ ‘বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করেছে

ওয়াক্বিফ কর্তৃক সৃজিত এবং প্রতিষ্ঠিত এস্টেটের পরবর্তী মোতাওয়াল্লী মোমনিরুজ্জামান পাটওয়ারী (রহ.) অনেক বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে অত্র এস্টেটেরসম্পদসম্পত্তি রক্ষাসহ সম্মানিত মুসল্লিগণের সেবা কার্যক্রমে তাঁর ভাইগণসহ সকলে নিবেদিত ছিলেন ওয়াক্বিফ এবং তার পরবর্তী মোতাওয়াল্লী সাহেবের প্রচেষ্টায় নির্মিতভাড়াঘরের সম্পত্তির সাথে আরও সম্পত্তি ক্রয়পূর্বক বর্তমান মোতাওয়াল্লী আলমগীর কবির পাটওয়ারী যুগের সাথে তাল মিলিয়ে গড়ে তোলেন জরাজীর্ণ দোকানঘরেরপরিবর্তে বহুতলবিশিষ্ট কাওমী মাদ্রাসা মার্কেটহাজীগঞ্জ প্লাজা মার্কেটহাজীগঞ্জ টাওয়ার মার্কেটরজনীগদ্ধা মার্কেট এবং নির্মাণাধীন ‘বিজনেস পাকমকিমউদ্দিন শপিংসেন্টার

মসজিদমাদ্রাসার ভাড়াটিয়াগণ এস্টেট কর্তৃক প্রদত্ত সেবা এবং দীর্ঘকালীন কক্ষ ব্যবহারের সুবিধাসহ আর্থিকভাবে অনেক বেশী লাভবান – আলহামদুলিল্লাহ আর সে কারণেঅত্র এস্টেটের দোকানঘরের চাহিদা অনেক বেশী এসবের প্রেক্ষিতে কয়েক শত দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠার পাশাপাশি কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থানেরসুযোগ সৃষ্টি হয়েছে

অত্র এস্টেটের ভাড়াটিয়াগণ ভাগ্যবান ভাড়াটিয়গণের প্রদেয় টাকা নামাজ এবং দ্বীনি প্রাসঙ্গিক সেবা কার্যক্রমে ব্যয় হয় ভাড়ার টাকা দ্বীনি কার্যক্রমে ব্যয় হওয়ার প্রেক্ষিতেসম্মানিত ভাড়াটিয়াগণ ভাড়া পরিশোধের পাশাপাশি ‘ছাওয়াব লাভ করার সুযোগও পাচ্ছেন সে বিবেচনায় অত্র এস্টেটের সম্মানিত ভাড়াটিয়াগণ সত্যিই অবশ্যইভাগ্যবান

০৪ সমাজ সেবা বিষয়ক কার্যক্রম 

দরিদ্র  অসহায়দের সাধ্যমত সহযোগিতা প্রদান

ধর্মীয়জাতীয় দিবস এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানে দানঅনুদান প্রদান

হাজীগঞ্জ বাজারে কেনাকাটারজন্য আগত জনসাধারণপথচারী এবং মহিলাদের জন্য প্রাকৃতিক প্রয়োজন মেটানোর সুবিধা প্রদান

মুসল্লিগণের ওযুর পাশাপাশি বাজারে আগত সাধারণ মানুষের জন্য আর্সেনিকমুক্ত

বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা

বাজারে দুর্ঘটনাজনিত কারণে আগুন লাগলে অগ্নি নির্বাপণের জন্য মসজিদমাদ্রাসার

রিজার্ভট্যাংকি থেকে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা

বিভিন্ন দোকানপাট এবং খাবার হোটেলে আর্সেনিকমুক্ত বিশুদ্ধ পানি বিনামূল্যে নেয়ার সুযোগ

কোটি কোটি টাকার মূল্যবান জায়গায় অবস্থিত দোকান ঘর ভেঙ্গে মসজিদের সামনের স্থান উন্মুক্ত রাখা হয়েছে এতে সম্মানিত মুসল্লিগণ নামাজসহ প্রাসঙ্গিক এবাদতেরজন্য শরীর  মন ঠিক রেখে আল্লাহ্পাকের নিকট শুকরিয়া আদায় করার সুযোগ লাভ করছেন

০৫ ত্রান  দূর্যোগ বিষয়ক কার্যক্রম 

বন্যাখরা কিংবা দুর্যোগকালীন সময়ে জাতীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে আর্তমানবতার সেবা প্রদানশরণার্থীদেরকে সাহায্য প্রদানগৃহহীনদের গৃহদানঅসহায়  দুস্থদেরসহযোগিতা প্রদানবেসরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারিভাবে গৃহীত ত্রাণ  দুর্যোগ বিষয়ক কার্যক্রমে সাধ্যমত সহযোগিতা প্রদান করা হয়

০৬ র্শিক বিদাত মুক্ত কার্যক্রম

আল্লাহ্ তায়ালা র্শিকএর গুনাহ ক্ষমা করবেন না (আলকোরআন)

সে প্রেক্ষিতে উল্লেখ্যউক্ত মসজিদের পাশে শায়িত আছেন  মসজিদ কমপ্লেক্সের প্রতিষ্ঠাতা ওয়াক্বিফহাজী আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) আরও শায়িত আছেনসুন্নাতেরাসুল (সাঃহিসেবে যিনি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেনহাজীগঞ্জের হাজীহযরত মনিরউদ্দিন ওরফে মনাই হাজী (রহ.) তাছাড়াও যার পবিত্র নামের স্মরণেমকিমাবাদ গ্রামের নামকরণ হয়েছিলসেই হযরত মুকিমউদ্দিন (রহ.)সহ অনেক আল্লাহ্র অলিবুজুর্গ এবং আল্লাহ্ ভীরু নেকবান্দা তাদের প্রত্যেকের নামে ভিন্ন ভিন্ন দিবসেওরশ  অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা করে মসজিদ কমপ্লেক্স আরও জমজমাট করা যেত কিন্তু যেহেতু আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) হযরত আশরাফ আলী থানভী (রহ.)’মুরিদ ছিলেনসেহেতু র্শিকবিদাত ঘটে যাওয়ার ভয়ে  কমপ্লেক্সে তা করা হয় না  আলহামদুলিল্লাহ

* গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত

মুসলমানগণের ধর্ম-কর্মের মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হচ্ছে নামাজ। হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে প্রতিদিন কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ আল্লাহভীরু নেকবান্দা হৃদয়ের টানে এখানে এসে নামাজ আদায় করেন ও প্রশান্তি অনুভব করেন। ধর্মপ্রাণ মানুষ আত্মিক প্রশান্তি লাভের পাশাপাশি ইহলৌকিক এবং পারলৌকিক কল্যাণ লাভের প্রত্যাশায় ইবাদত বন্দেগীতে মশগুল থাকেন। অত্র মসজিদে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মুসল্লিগণের নামাজ ও নামাজের প্রাসঙ্গিক সেবা, অযু-পানি, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা, আলো-বাতাস সার্বিক ব্যবস্থাপনাসহ সাধ্যের মধ্যে সর্বোত্তম সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

* গুরুত্বপূর্ণ দিবস-

ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ দিবস হিসেবে প্রতি বছর পবিত্র মিলাদুন্নবী (সাঃ), পবিত্র সীরাতুন্নবী (সাঃ), পবিত্র শবেমেরাজ, পবিত্র শবেবরাত, পবিত্র শবেক্বদর, পবিত্র আশুরাসহ বিভিন্ন সময়ে ওয়াজ মাহ্ফিলের এ দ্বীনি আমলের শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হয়।

* বয়স্কদের পবিত্র কোরআন শিক্ষা-

বয়স্ক দ্বীনদার অনেক মানুষ আছেন যারা সহ্হি শুদ্ধ করে কোরআন শরীফ পড়তে জানেন না। ছোট বেলায় শিখলেও চর্চার অভাবে ভুলে গেছেন। তাদের জন্য অত্র এস্টেটে সহ্হি-শুদ্ধরূপে পবিত্র কোরআন শরীফ শিক্ষা, পবিত্র নামাজ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

* মহিলাগণের দ্বীনি কার্যক্রম-

পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের দ্বীনি এলেম শিক্ষার সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম। সেই বিবেচনায় মহিলাগণকে সহি-শুদ্ধভাবে দ্বীনি শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতি ইংরেজী মাসের প্রথম মঙ্গলবার, মসজিদে মহিলাদের জন্য নির্ধারিত নামাজের স্থানেই মহিলাদের উদ্দেশ্যে ধর্মীয় বিষয়ে বয়ান পেশ করে সহ্হি শুদ্ধরূপে দ্বীন পালনে সহযোগিতা করা হয়।

* ¯ু‹লের শিক্ষার্থীদের জন্য দ্বীনি শিক্ষা-

যে সকল শিক্ষার্থী মাদ্রাসায় পড়া-শুনা না করে কেবলমাত্র স্কুলে লেখাপড়া করছে, তাদের ভবিষৎ কর্মজীবনে নামাজসহ প্রাসঙ্গিক দ্বীনদারীর বিষয় চিন্তা করে তাদের জন্য নুরানী পদ্ধতিতে কোরআন শরীফ শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

* পবিত্র রমজানের ব্যবস্থাপনা-

* পবিত্র রমজান মাসে সেহরী ও ইফতারের সময়সূচী সর্বসাধারণের জন্য বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। পবিত্র রমজান মাসে বিশেষ ব্যবস্থাপনার প্রেক্ষিতে, হাজীগঞ্জে রমজান অতিবাহিত হয় তূলনামূলকভাবে অত্যন্ত ভাবগম্ভীর ও বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ ধর্মীয় পরিবেশে।

* রমজান মাসে রোজাদারগণের ইফতার ও সেহরী খাওয়ার সুবিধার্থে স্মরণাতীত কাল থেকে সাইরেন বাজানোর ব্যবস্থা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

* রমজানের শেষ দশকে প্রায় কয়েকশত এতেক্বাফকারীর সার্বিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত  কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হয়।

* রমজান মাসে ইফতারের সময় আগত পথচারী ও সর্বসাধারণের জন্য ইফতারের উন্মুক্ত ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা প্রদান করা হয়।

* প্রতি বছর বিভিন্ন ব্যক্তি ও মসজিদে বিনামূল্যে পবিত্র কোরআন শরীফ বিতরণ করা হয়।

* পবিত্র কোরবানীর ফাজায়েল ও মাসায়েলের উপর হ্যান্ডবিল বিতরণ করে শুদ্ধরূপে পবিত্র কোরবানীর কার্যসম্পাদনে অভিজ্ঞ করে তোলা হয়।

* মসজিদ-মাদ্রাসার গরিব স্টাফ-কর্মচারীদের মধ্যে কোরবানীর গোস্ত প্রদান করা হয়।

* জুময়াতুল বিদা-

এক সময়ে পাক ভারত উপমহাদেশের মধ্যে হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ অনন্য বৃহত্তম জুমআতুল বিদা নামাজের জামাত উদযাপনের প্রতিষ্ঠান হিসেবে খ্যাত ছিল। ঐতিহ্যের সে ধারাবাহিকতায় পবিত্র রমজান মাসে রোজা রেখে দূর-দূরান্ত থেকে অনেক কষ্ট করে লক্ষাধিক রোজাদার মুসল্লি জুমআর জামাতে সমবেত হন। এতে অসংখ্য আলেমে দ্বীন, অলি-বুজর্গ, হাজীসাহেবান, দুস্থ-এতিম, অসহায় তথা সর্বস্তরের সম্মানিত রোজাদার আল্লাহ্ভীরু নবীপ্রেমিক মানুষ এবাদত বন্দেগী করেন। দোয়া মুনাজাত তসবিহ-তাহলিল আদায় করে মনের নেক মাকছুদ পূরণের আশায় দু’হাত তুলে আল্লাহর কাছে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। সকল স্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জন প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষ, এলাকার যুব সমাজ, সামাজিক রাজনৈতিক সংগঠন নামাজের ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে সর্বাতœক সহযোগিতা প্রদান করে থাকেন।

* দাফন-কাফন-

সাধারণত মুসলমানদের জীবনে শেষ ইচ্ছা থাকে মসজিদের পাশে শায়িত হওয়া। সে লক্ষ্যে হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদের পাশে সর্বসাধারণের জন্য আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) কবরস্থানের ব্যবস্থা রেখেছেন। কোনো ব্যক্তির ইচ্ছার প্রেক্ষিতে কবরস্থ করার জন্য সাধ্যমত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এখানে অলি, বুজুর্গ ও আল্লাহ্ভীরু নেকবান্দাদের সাথে দুস্থ, গরিব ও অসহায় মানুষও শায়িত আছেন। মসজিদের ন্যায় কবর স্থানের জায়গা সম্প্রসারণ অতীব জরুরি।

আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) দ্বীনদার মুসল্লি গড়ে তোলার পাশাপাশী দ্বীনি কার্যক্রমের স্বার্থে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে সম্পাদিত দলিলে তিনি উল্লেখ করেন যে ‘মুসল্লিগণ হলেন মসজিদের খোরাক। এলেম ছাড় নামাজ রূহ ছাড়া শরীরের মত। এলমে দ্বীন তথা কোরআনের শিক্ষা প্রদানের জন্যে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা অতীব প্রয়োজন’। ‘সে চিন্তা চেতনার প্রেক্ষিতে তিনি দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা মাদ্রাসা গড়ে তোলেন – আলহামদুলিল্লাহ।

* আহমাদিয়া আলিয়া মাদ্রাসা :-

মরহুম আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) ১৯৩১ সনে দারুল উলূম আহমাদিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মাদ্রাসাটি র্শিক ও বিদাতের বিরুদ্ধে জোরালো ভূমিকা রাখে। মাদ্রাসাটি ১৯৯৫ সালে বর্তমান মোতাওয়াল্লী ড. মো: আলমগীর কবির পাটওয়ারীর প্রত্যক্ষ সহয়োগিতায় কামিল পর্যায়ে উন্নীত হয় এবং এমপিওভূক্তি লাভ করে। ১৯৯০ সাল থেকে দাখিল ও আলিম  শ্রেণীতে বিজ্ঞান বিভাগ চালু হয়। ২০১৭ সাল হতে সম্পূর্ণ পৃথকভাবে বালিকা শাখা চালু করা হয়। মাদ্রাসার একটি সমৃৃদ্ধ কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে। বর্তমানে এখানে প্রায় ৩০০০ (তিন হাজার) শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। মাদ্রাসা শিক্ষার গুনগতমান ও ফলাফলে জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি লাভে সক্ষম হয়েছে। এখানে ভবিষ্যতে অন্যান্য বিভাগ ও শাখা খোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

* আহমাদিয়া কাওমী মাদ্রাসা :-

আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) কর্তৃক ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ফোরকানীয়া মাদ্রাসা থেকে অত্র এস্টেটের বর্তমান মোতাওয়াল্লী ড. মো. আলমগীর কবির পাটওয়ারীর উদ্যোগ ও নেতৃত্বে কাওমী নেসাবের দ্বীনি মাদ্রাসা হিসেবে জামিয়া আহমাদিয়া কাওমী মাদ্রাসা গত ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এ মাদ্রাসায় নূরানী বিভাগ থেকে দাওরায়ে হাদিস পর্যন্ত প্রায় ১২০০ (বারশত) শিক্ষার্থী শিক্ষা লাভ করছে। অত্র মাদ্রাসার আওতাধীন পর্যায়ক্রমিক মাদ্রাসাসমূহ যথাক্রমে – মুনিরিয়া নুরানী মাদ্রাসা, হাজী মনিরউদ্দীন (মনাই হাজী) (রহ.) হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও ইকরা বিভাগ নামে ভিন্নভিন্নভাবে কোরআন ও হাদিসের শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে।

উভয় দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতি বছর শতশত শিক্ষাথী দ্বীনের আলোয় আলোকিত হওয়ার সুযোগ লাভ করতে সক্ষম হচ্ছে। আলহামদুলিল্লাহ।

বিনিয়োগে উন্নয়ন। ব্যক্তি, সমাজ, দেশ এবং রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগের বিকল্প নেই। বিনিয়োগকারীগণ সাধারণত বিশ্বস্ততার সাথে পুঁজি খাটিয়ে ব্যবসা করার জন্য উপযুক্ত স্থান, সুযোগ-সুবিধা ও পরিবেশের অভাববোধ করে থাকেন। যার প্রেক্ষিতে নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ অনেক সময় নির্ভয়ে বিনিয়োগ করতে পারেন না। সে বিবেচনায় ঐতিহ্যবাহী আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) ওয়াক্ফ এস্টেট তার দ্বীনি কার্যক্রমের পাশাপাশি দোকানঘর ও মার্কেট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শত শত পরিবারের কোটি কোটি টাকা নিরাপদ ‘বিনিয়োগের সুযোগ’সৃষ্টি করেছে।

* ওয়াক্বিফ কর্তৃক সৃজিত এবং প্রতিষ্ঠিত এস্টেটের পরবর্তী মোতাওয়াল্লী মো. মনিরুজ্জামান পাটওয়ারী (রহ.) অনেক বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে অত্র এস্টেটের  সম্পদ-সম্পত্তি রক্ষাসহ সম্মানিত মুসল্লিগণের সেবা কার্যক্রমে তাঁর ভাইগণসহ সকলে নিবেদিত ছিলেন। ওয়াক্বিফ এবং তার পরবর্তী মোতাওয়াল্লী সাহেবের প্রচেষ্টায় নির্মিত ভাড়াঘরের সম্পত্তির সাথে আরও সম্পত্তি ক্রয়পূর্বক বর্তমান মোতাওয়াল্লী ড. আলমগীর কবির পাটওয়ারী যুগের সাথে তাল মিলিয়ে গড়ে তোলেন জরাজীর্ণ দোকানঘরের পরিবর্তে বহুতলবিশিষ্ট কাওমী মাদ্রাসা মার্কেট, হাজীগঞ্জ প্লাজা মার্কেট, হাজীগঞ্জ টাওয়ার মার্কেট, রজনীগদ্ধা মার্কেট এবং নির্মাণাধীন বিজনেস পাক, মকিমউদ্দিন শপিং সেন্টার’।

মসজিদ-মাদ্রাসার ভাড়াটিয়াগণ এস্টেট কর্তৃক প্রদত্ত সেবা এবং দীর্ঘকালীন কক্ষ ব্যবহারের সুবিধাসহ আর্থিকভাবে অনেক বেশী লাভবান – আলহামদুলিল্লাহ। আর সে কারণে অত্র এস্টেটের দোকানঘরের চাহিদা অনেক বেশী। এসবের প্রেক্ষিতে কয়েক শত দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠার পাশাপাশি কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

অত্র এস্টেটের ভাড়াটিয়াগণ ভাগ্যবান। ভাড়াটিয়গণের প্রদেয় টাকা নামাজ এবং দ্বীনি প্রাসঙ্গিক সেবা কার্যক্রমে ব্যয় হয়। ভাড়ার টাকা দ্বীনি কার্যক্রমে ব্যয় হওয়ার প্রেক্ষিতে সম্মানিত ভাড়াটিয়াগণ ভাড়া পরিশোধের পাশাপাশি ছাওয়াব’লাভ করার সুযোগও পাচ্ছেন। সে বিবেচনায় অত্র এস্টেটের সম্মানিত ভাড়াটিয়াগণ সত্যিই অবশ্যই ভাগ্যবান।

* দরিদ্র ও অসহায়দের সাধ্যমত সহযোগিতা প্রদান।

* ধর্মীয়, জাতীয় দিবস এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানে দান-অনুদান প্রদান।

* হাজীগঞ্জ বাজারে কেনা-কাটার জন্য আগত জনসাধারণ, পথচারী এবং মহিলাদের জন্য প্রাকৃতিক প্রয়োজন মেটানোর সুবিধা প্রদান।

* মুসল্লিগণের ওযুর পাশাপাশি বাজারে আগত সাধারণ মানুষের জন্য আর্সেনিকমুক্ত     

বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা।

* বাজারে দুর্ঘটনাজনিত কারণে আগুন লাগলে অগ্নি নির্বাপণের জন্য মসজিদ-মাদ্রাসার

রিজার্ভ  ট্যাংকি থেকে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা।

* বিভিন্ন দোকান-পাট এবং খাবার হোটেলে আর্সেনিকমুক্ত বিশুদ্ধ পানি বিনামূল্যে নেয়ার সুযোগ।

* কোটি কোটি টাকার মূল্যবান জায়গায় অবস্থিত দোকান ঘর ভেঙ্গে মসজিদের সামনের স্থান উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। এতে সম্মানিত মুসল্লিগণ নামাজসহ প্রাসঙ্গিক এবাদতের জন্য শরীর ও মন ঠিক রেখে আল্লাহ্পাকের নিকট শুকরিয়া আদায় করার সুযোগ লাভ করছেন।

* বন্যা, খরা কিংবা দুর্যোগকালীন সময়ে জাতীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে আর্তমানবতার সেবা প্রদান, শরণার্থীদেরকে সাহায্য প্রদান, গৃহহীনদের গৃহদান, অসহায় ও দুস্থদের সহযোগিতা প্রদান, বেসরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারিভাবে গৃহীত ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক কার্যক্রমে সাধ্যমত সহযোগিতা প্রদান করা হয়।

আল্লাহ্ তায়ালা র্শিক-এর গুনাহ ক্ষমা করবেন না (আল-কোরআন)

সে প্রেক্ষিতে উল্লেখ্য, উক্ত মসজিদের পাশে শায়িত আছেন এ মসজিদ কমপ্লেক্সের প্রতিষ্ঠাতা ওয়াক্বিফ, হাজী আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.)। আরও শায়িত আছেন, সুন্নাতে রাসুল (সাঃ) হিসেবে যিনি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন, হাজীগঞ্জের হাজী, হযরত মনিরউদ্দিন ওরফে মনাই হাজী (রহ.)। তাছাড়াও যার পবিত্র নামের স্মরণে মকিমাবাদ গ্রামের নামকরণ হয়েছিল, সেই হযরত মুকিমউদ্দিন (রহ.)সহ অনেক আল্লাহ্র অলি-বুজুর্গ এবং আল্লাহ্ ভীরু নেকবান্দা। তাদের প্রত্যেকের নামে ভিন্ন ভিন্ন দিবসে ওরশ ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা করে মসজিদ কমপ্লেক্স আরও জমজমাট করা যেত। কিন্তু যেহেতু আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) হযরত আশরাফ আলী থানভী (রহ.)’র মুরিদ ছিলেন, সেহেতু র্শিক-বিদাত ঘটে যাওয়ার ভয়ে এ কমপ্লেক্সে তা করা হয় না । আলহামদুলিল্লাহ।