Home / মসজিদ / বড় মসজিদে সময়ের সেরা দুর্লভ উপকরণের সমন্বয়

বড় মসজিদে সময়ের সেরা দুর্লভ উপকরণের সমন্বয়

আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) প্রাথমিক অবস্থায় তাঁর নির্মিত একচালা খড়ের মসজিদটিকে খড় ছনপাতা এবং গোলপাতা দিয়ে দো’চালা মসজিদ তৈরী করেন। অতঃপর দো’চালা টিনের মসজিদ নির্মাণ করেন। দো’চালা টিন থেকে পাকা মসজিদ নির্মাণ করতে গিয়ে তিনি লম্বা বহরবিশিষ্ট একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। প্রস্থের তুলনায় সেই পাকা মসজিদের দৈর্ঘ্য ছিল অনেক বেশী। সম্ভবত প্রথম পর্যায়েই তিনি পরিকল্পনা করেছিলেন যে, মসজিদটির প্রস্থ তিনি পর্যায়ক্রমে পূর্বদিকে বাড়াতে থাকবেন এবং এভাবে বর্ধিত করতে করতে সেটাকে সুবিশাল এক মসজিদে পরিণত করবেন। আর এটা বিস্ময়কর যে, তাঁর জীবদ্দশাতেই তিনি মেহরাব থেকে মিনার পর্যন্ত ২৮ হাজার বর্গফুটের এক সুবিশাল মসজিদ নির্মাণ করেন। পর্যায়ক্রমে তিন ধাপে প্রস্থ বাড়াতে গিয়ে পরিশেষে মসজিদটির দৈর্ঘের চেয়ে প্রস্থ অনেক বড় হয়ে গিয়েছে। এছাড়া এ বিশাল মসজিদের জন্য তিনি নির্মাণ করেছিলেন সুউচ্চ মিনার, মিনারের পাদদেশে দৃষ্টিনন্দন প্রধান ফটক আর নিপুণ কারুকার্যময় মেহরাব।

আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) একটি মফস্বল এলাকায় যে সময়ে এই ঐতিহাসিক বড় মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন সে সময় সারা পূর্ববাংলায় এক কোটি লোকের বসবাস ছিল  । কাজেই এই মফস্বল এলাকায় কারা এতবড় মসজিদে নামাজ পড়বে সেটা নিয়েও অনেকে কটাক্ষ করত। অথচ তিনি শুধু মসজিদের সুবিশাল আয়তন নির্মাণ করেই ক্ষান্ত হননি। বরং এ মসজিদের নির্মাণ সামগ্রীতে যুগের সেরা দুর্লভ উপকরণের সমন্বয় ঘটিয়ে আরেক ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। দুর্লভ সেই নির্মাণ উপকরণগুলো এবং মসজিদটির বিরল বৈশিষ্টসমূহের মধ্যে কয়েকটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ উপস্থাপিত হলঃ-

১। মসজিদ নির্মাণের জন্য স্বনির্মিত ইটের ব্যবহারঃ- সে সময়ে অত্র এলাকায় ইট তৈরির ব্যবস্থা ছিল না। কোনো ইটভাটা না থাকায় এ এলাকায় তৈরি ইট কেনার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। তাই আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) নিজ উদ্যোগে ইটখোলা বা ইটের ভাটা তৈরি করেছিলেন। সেখানে জাগ দেয়া পদ্ধতিতে মাটি পুড়িয়ে ইট তৈরি করা হয়েছিল। হাজীগঞ্জে রেল লাইনের উত্তর পাশে খালপাড়ে তাঁর মালিকানাধীন জায়গাটি ইটখোলা নামে বহুদিন পরিচিত ছিল।

২। মেহরাবের দৃষ্টিনন্দন কারুকার্যঃ- আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) মেহরাবে ব্যবহারের জন্য ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কাঁচ দ্বারা নির্মিত নানা বর্ণের ফুলের টব ও ঝাড় সংগ্রহ করেছিলেন। ঢাকার সুনিপূণ ওস্তাগার আব্দুর  রহমানের নেতৃত্বে  সে সমস্ত কাঁচের সামগ্রী ব্যবহার করে মসজিদের মেহরাব সাজানো হয়েছিল। আব্দুর রহমান ওস্তাগার কাচের ঝাড় ও টবগুলো টুকরো করে কেটে সেগুলো দিয়ে মনোরম ফুল-পাতার নকশায় সজ্জিত করেছেন হাজীগঞ্জ বড় মসজিদের মেহরাব। ফলে মেহরাবটি আজও তার সেই অতুলনীয় শিল্পচেতনার স্বাক্ষর বহন করে যাচ্ছে। সে সময়ে মফস্বল এলাকায় এধরনের কাজ ছিল অকল্পনীয়। ঐতিহ্যবাহী সেই দুর্লভ ও নিখুঁত কারুকার্যে সুসজ্জিত মেহরাব বর্তমান আমলেও অন্য কোনো মসজিদে খুব একটা দেখা যায় না।

৩। খুতবায় ব্যবহৃত লাঠিঃ- আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) স্বপ্নে আদিষ্ট হয়ে নিজ পুকুর থেকে সাত পাতিল টাকা লাভ করেছিলেন। অতপর তিনি আল্লাহ্র কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনার্থে হজে¦র নিয়ত করে হজ্ব পালন করতে যান এবং আকবরি হজ¦ লাভ করেন। সে সময়ে তিনি ইরাকের বাগদাদ ও কুফা সফর করেন। সেখান থেকে তিনি ইমাম সাহেবের খুতবার সময় ব্যবহৃত কারুকার্যখচিত সুদর্শন লাঠিখানা সঙ্গে নিয়ে আসেন। বিরল কারুকার্যখচিত সেই লাঠিখানা এখনও বড় মসজিদের সংগ্রহ শালায় রয়েছে।

৪। ফ্লোরে মার্বেল পাথরের ব্যবহারঃ- যে সময়ে এই এলাকায় মানুষের বাড়ি নির্মিত হত ¯্রফে কাদামাটি দিয়ে, সে সময়ে পাকা ভিটি তৈরি করে মেঝেতে মার্বেল পাথর বসানোর বিষয়টি ছিল সাধারণ মানুষের চিন্তার বাইরে। অত্যন্ত সৌখিন ও উদার মনের অধিকারী আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) তাঁর নির্মিত মসজিদের প্রথম অংশের ১০০x২০ হাত ফ্লোরের জন্য কলিকাতা থেকে জাহাজে করে মর্মর পাথর বা মার্বেল পাথর এনেছিলেন। ওস্তাগার আব্দুর রহমান রাজের মাধ্যমে মসজিদের ২০০০ বর্গহাতের মেঝেতে এ বিরল পাথর বসানোর কাজ সুসম্পন্ন করেছিলেন। সেই মর্মর পাথর এক নজর দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভীড় জমাত। যে আমলে পাকা ফ্লোর দুষ্প্রাপ্য ছিল, সে সময়ে হাজীগঞ্জের মানুষ সেই মর্মর পাথরে নির্মিত মসজিদের মেঝেতে নামাজ আদায় করেছেন। তাছাড়া কলিকাতা থেকে মসজিদের ছাদের জন্য রেলের স্লিপারের ন্যায় ইংরেজী এইচ আকারের লোহার বিম আনা হয়েছিল প্রয়োজনীয় পরিমানে।

৫। বড় বড় ফুলের ঝাড়ঃ- আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) আল্লাহ্র ঘর বেহেস্তের বাগানকে সত্যিকারার্থে বাগানের মত সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। এজন্য তিনি যেমনিভাবে মেহরাবকে সাজিয়েছেন তেমনিভাবে পুরো মসজিদকে সাজানোর জন্য সুদূর কলিকাতা থেকে কাচের বড় বড় ঝাড়বাতি এনে মসজিদকে মনোরম আলোয় আলোকিত করেছিলেন। এই ঝাড়বাতিগুলোও সে সময় ব্যাপক অঞ্চলের মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল।

৬। খুতবার আজানের মঞ্চঃ- জৈনপুরের হুজুরদের আমলে হাজীগঞ্জ বড় মসজিদে মেহরাব এবং মিম্বরের মাঝে মদীনা শরীফের ন্যায় কিছুটা দূরত্ব ছিল। মসজিদের মেহরাব নিজ জায়গাতেই সুন্দরভাবে সাজানো ছিল। তবে খুতবার জন্য প্রথম অংশের পূর্ব দেয়ালের পিছনে সাত স্তরবিশিষ্ট মিম্বর নির্মিত হয়েছিল এবং খুতবার আজানের জন্য সেখানে লোহাকাঠের উপর বিভিন্ন প্রকারের নকশাখচিত একটি মনোরম দর্শনীয় মঞ্চ তৈরি করা হয়েছিল। মঞ্চে উঠে মোয়াজ্জিন সাহেব খুতবার আজান দিতেন এবং ইমাম সাহেব সাত স্তরবিশিষ্ট মিম্বরে দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন। খুতবা শেষ হলে ইমাম সাহেব মূল মসজিদের কারুকার্যখচিত মেহরাবে গিয়ে জুময়ার ও ঈদের নামাজের ইমামতি করতেন। মনোরম নকশায় সজ্জিত কাঠের তৈরি খুতবার উঁচু মঞ্চটিও সে সময় মানুষের মাঝে আকর্ষণ সৃষ্টি করেছিল।

৭। মাইকের ব্যবস্থাঃ- এতদঞ্চলে সে সময় আজান কিংবা যেকোনো প্রচারের কার্যক্রম মুখেই চালানো হতো। মাঝে মাঝে কোনো বিষয় প্রচারের জন্য বাজারে টিন পিটিয়ে মুখে প্রচার করা হতো। কিন্তু আলহাজ¦ আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) সর্বদা নতুন চিন্তার বাস্তবায়নে তৎপর ছিলেন এবং নতুন প্রযুক্তির খোঁজ করতেন। আজানের আওয়াজ বৃদ্ধি করে কিভাবে তা দূরে পৌঁছানো যায়, সেই ইচ্ছার বাস্তবায়নের জন্য তিনি এ অঞ্চলে সর্বপ্রথম মাইকে আজান দেয়ার ব্যবস্থা চালু করেন। প্রথম দিন মাইকে আজানের উচ্চ আওয়াজ শুনে লোকেরা দলে দলে হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদের দিকে ছুটে এসেছিল। কে আজান দিল? এত আওয়াজ কিভাবে হলো? সেদিন মানুষের মনে ছিল নানা কৌতুহল। শেষ পর্যন্ত তারা মসজিদ প্রাঙ্গণে এসে দেখেছিলো এ অতুলনীয় ব্যবস্থা। মোতাওয়াল্লী আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) এভাবে নতুন প্রযুক্তির সংযোজন ঘটিয়ে চমক সৃষ্টি করেছিলেন।

৮। জেনারেটর স্থাপনঃ- সেকালে এলাকার মানুষ মোমবাতি, চেরাগ আর হারিকেনের সাহায্যে আলোর ব্যবস্থা করতেন। আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) মসজিদে মোমবাতি-চেরাগ-হারিকেনের পাশাপাশি আধুনিক ও উন্নতমানের হ্যাজাক লাইটের ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। কিন্তু এ ব্যবস্থাও তাঁর নিকট অপর্যাপ্ত মনে হয়েছিল। তাই কিভাবে মসজিদকে আরও অধিক আলোকিত করা যায় তার অনুসন্ধানে তিনি তৎপর ছিলেন। ফলে এক পর্যায়ে কলিকাতা থেকে জেনারেটর আমদানী করলেন। সে আমলে জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে তা দিয়ে আলো জ্বালিয়ে মসজিদ আলোকিত করার বিষয়টিও ছিল এ এলাকার সকলের জন্য বিস্ময়কর।

৯। বৈদ্যুতিক আলোঃ- সে আমলে সন্ধার পর বাজার ও দোকান-পাট থাকত জনশূন্য। কারণ তখন মানুষ ছিল কম আর সন্ধার পর বাজারে চলাচল করার মত পর্যাপ্ত আলো থাকত না। আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) বাজারের উন্নতিকল্পে মোমবাতি-চেরাগ-হারিকেনের পরিবর্তে জেনারেটর দ্বারা বৈদ্যুতিক আলো উৎপাদন করে দোকানে দোকানে সাপ্লাইয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন। এভাবে সন্ধার পরও হাজীগঞ্জ বাজার আলোকিত থাকত।

১০। বৈদ্যুতিক পাখাঃ- সেকালে গরমের সময় তালের পাখায় বাতাস করাই ছিল সাধারণ মানুষের একমাত্র অবলম্বন। আর অফিস-আদালতে চালের নিচে বাঁশ বা কাঠ, দঁড়ি এবং ত্রিপল বা মোটা কাপড়ের সাহায্যে তৈরি করা হত দঁড়ি টানা পাখা। সেই টানা পাখায় অফিসের বড় কর্মকর্তাদের বাতাস করার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল। আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) সে সময়  মুসল্লিদের আরাম আয়েশের জন্য ভারত থেকে বৈদ্যুতিক পাখা আমদানী করে মসজিদে বৈদ্যুতিক পাখার ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। তাঁর এমন আয়োজনে বিস্মিত হয়ে সাধারণ মানুষ ভাবত, ‘মানুষ ছাড়া পাখা নিজে নিজে কিভাবে বাতাস দেয়?’ আর এই স্বয়ংক্রিয় পাখার বাতাসের আকর্ষণে মুসল্লিগণ মসজিদে এসে জামাতের সাথে নামাজ পড়তে অধিক আগ্রহী হয়ে উঠেছিলেন।

১১। সাইরেনঃ-  এখন থেকে আট দশক আগে রমযান মাসে সূর্যাস্তে রোজা ভেঙ্গে ইফতারী করা এবং শেষ রাতে সুবহে সাদেকের পূর্বে সেহরি খাওয়ার সময় নিয়ে এই এলাকার মানুষের মধ্যে বেশীর ভাগ সময় সংশয় কাজ করত। কেননা অধিকাংশ লোক ইফতারির সঠিক সময় ও সেহরীর শেষ সময় সম্পর্কে তেমন একটা অবগত ছিল না। আর সেকালে লোকজনের কাছে ঘড়ি বা রেডিও ছিল না বললেই চলে। উপরন্ত এই এলাকায় মুসলমানের সংখ্যাও ছিল কম। বড় মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ও মোতাওয়াল্লী সাহেব এ কঠিন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে হজ¦ব্রত পালন শেষে সৌদী আরব থেকে ‘সাইরেন’ কিনে নিয়ে এসেছিলেন। সেহরী ও ইফতারের সময় সাইকেলের চাকায় চাকায় উটের রগের বেল্ট দিয়ে হাতে বাজানো হতো সেই সাইরেন। এর বদৌলতে মুসলমান রোজাদারগণ ইফতার ও সেহরী খাওয়ার যথাযথ সময় বুঝতে পারতেন। এই সাইরেন বাজানোর ব্যবস্থাও ব্যাপক এলাকার মানুষের মাঝে  চমক সৃষ্টি করেছিল।

১২। মসজিদের সুউচ্চ মিনারঃ- হাজীগঞ্জ বড় মসজিদের নবনির্মিত মিনারটি সে সময়ে পাক ভারত উপমহাদেশের মধ্যে মসজিদের সবচেয়ে উঁচু মিনার বলে ধারণা প্রচলিত ছিল। মিনারের ১২২টি সিঁড়ি বেয়ে ১২২ ফুট উপরে উঠা যায়। সেখান থেকে আজান দিলে সেই আজান দূর থেকে শোনা যেত। এছাড়া এই মিনারটি মসজিদের প্রতীক হিসেবেও চিহ্নিত হত।

আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) মসজিদ নির্মাণ শেষে মসজিদের পূর্ব সীমানায় একটি সুউচ্চ মিনার নির্মাণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। নির্মাণকাজ চালাতে গিয়ে আর্থিক সংকট দেখা দেয়ায় তিনি আবারও নিজ মালিকানাধীন ছয় কানি জমি বিক্রি করে মিনারের কাজ সম্পন্ন করেছিলেন। সে সময়ে এই উঁচু মিনারটি ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। আশ্চার্যের বিষয় হলো এই সুউচ্চ মিনার তৈরিতে কোনো ইঞ্জিনিয়ারের সাহায্য নেয়া হয়নি। আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.) নিজে নকশা ও পরিকল্পনা প্রনয়ণ করেছিলেন আর সুনিপুণ ওস্তাগার আব্দুর রহমান রাজ তার সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছেন। মিনারের ভিতর দিয়ে সিঁড়ির মাধ্যমে উপরে উঠার ব্যবস্থা রয়েছে। মিনারের চূড়ায় কামরাঙ্গা আকৃতির একটি ফানুস নির্মিত হয়েছে। মিনারটির গঠনপ্রকৃতি দেখে এখনও যেকোনো ইঞ্জিনিয়ার বিস্মিত হন। এই  মিনারের পাদদেশে দু’পাশে দু’টি স্তম্ভের অভ্যন্তরে দুটি ছোট কামরাও রয়েছে। আরেকটি আশ্চর্যজনক বিষয় হলো যে, এ বিশাল ও সুউচ্চ মিনারের তলদেশ দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে মসজিদে ঢোকার প্রধান ফটক বা মূল গেট। আর সেই প্রধান ফটকটিও বিরল কারুকার্যখচিত, অত্যন্ত মনোরম ও দৃষ্টিনন্দনভাবে গড়ে তোলা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.